নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : Feb 8, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

নির্বাচনে যান চলাচলে বিধি-নিষেধ বিষয়ে যা জানা গেল

ভয়েস অফ গোপালগঞ্জ ডেস্ক,

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে সারা দেশে যান চলাচলের ওপর একাধিক বিধিনিষেধ আরোপ করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়। সম্প্রতি নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী এই প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

তবে প্রজ্ঞাপনে গণপরিবহন, বিশেষ করে সিটি, লোকাল ও দূরপাল্লার বাস চলাচল নিয়ে স্পষ্ট নির্দেশনা না থাকায় ভোটার, যাত্রী ও পরিবহন সংশ্লিষ্টদের মধ্যে বড় ধরনের বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। ভোটের দিন নগর ও আন্তঃজেলা রুটে বাস চলাচল করবে কিনা, সে বিষয়ে পরিষ্কার উত্তর না পাওয়ায় ভোটার ও সাধারণ মানুষের যাতায়াত নিয়ে অনিশ্চয়তা বাড়ছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ এর ৩২ ধারা অনুযায়ী ভোটের দিন অর্থাৎ ১২ ফেব্রুয়ারি ট্যাক্সি ক্যাব, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলাচল বন্ধ থাকবে। এই নিষেধাজ্ঞা ১১ ফেব্রুয়ারি দিবাগত মধ্যরাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি দিবাগত মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।

এ ছাড়া ১০ ফেব্রুয়ারি দিবাগত মধ্যরাত ১২টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি দিবাগত মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত অর্থাৎ মোট ৭২ ঘণ্টা সারা দেশে মোটরসাইকেল চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে। তবে জরুরি প্রয়োজনে এবং নির্বাচনসংশ্লিষ্ট কাজে এই বিধিনিষেধের ক্ষেত্রে বেশ কিছু শিথিলতা রাখা হয়েছে।

দূরপাল্লার যাত্রী বহনকারী যানবাহন বা স্থানীয় পর্যায়ে চলাচলের জন্য প্রয়োজনীয় যান চলাচলেও এই বিধিনিষেধ শিথিল থাকবে। একইভাবে বিদেশগামী বা বিদেশফেরত যাত্রীদের ক্ষেত্রে পাসপোর্ট ও টিকিটের মতো প্রয়োজনীয় প্রমাণ প্রদর্শন সাপেক্ষে বিমানবন্দর যাতায়াতে কোনো বাধা থাকবে না।

সড়কগুলোতে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখা হবে, যাতে যোগাযোগ ব্যবস্থা পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন না হয়। এ ছাড়া স্থানীয় পরিস্থিতি বিবেচনা করে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনাররা প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে এই বিধিনিষেধ আরও কঠোর করতে পারবেন কিংবা শিথিল করার ক্ষমতা রাখবেন।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, প্রশাসন ও অনুমতিপ্রাপ্ত পর্যবেক্ষকদের ক্ষেত্রে এই নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না। এ ছাড়া জরুরি সেবা কাজে নিয়োজিত যানবাহন, ওষুধ, স্বাস্থ্য-চিকিৎসা ও অনুরূপ কাজে ব্যবহৃত দ্রব্যাদি এবং সংবাদপত্র বহনকারী সব ধরনের যানবাহন চলাচলের সুযোগ পাবে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমতি ও স্টিকার প্রদর্শন সাপেক্ষে প্রার্থী এবং তাদের নির্বাচনী এজেন্টরা একটি করে ছোট গাড়ি (জিপ, কার বা মাইক্রোবাস) ব্যবহার করতে পারবেন।

সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকদের ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন বা রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমোদন সাপেক্ষে যানবাহন বা মোটরসাইকেল চালানোর অনুমতি থাকবে। নির্বাচন পরিচালনার কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মোটরসাইকেল বা অন্যান্য যানবাহনও এই বিধিনিষেধের আওতামুক্ত থাকবে।

এ ছাড়া টেলিযোগাযোগ সেবা বজায় রাখার স্বার্থে বিটিআরসি থেকে লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের যানবাহনগুলোকেও জরুরি সেবা হিসেবে চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

নিরাপত্তা ঝুঁকিতে থাকা ২০ জনকে গানম্যান দেওয়া হয়েছে

1

ওয়াই-ফাইয়ের রেডিয়েশন থেকেও হতে পারে ভয়াবহ রোগ

2

বিপিএলের দায়িত্বে আইএমজি

3

গোপালগঞ্জে সংবাদ সম্মেলন করে আওয়ামী লীগ নেতার পদত্যাগ ঘোষণা

4

ভূমিকম্পে ঢাকার বড় বিপদ স্পষ্ট হচ্ছে

5

দুর্গাপূজা উপলক্ষে পুলিশের পরামর্শ

6

ভোটে দাঁড়াতে জামানত বাড়ল আড়াই গুণ

7

গোপালগঞ্জে ১৬ কেজি গাঁজাসহ স্বামী স্ত্রী গ্রেপ্তার

8

আজ উন্মুক্ত হচ্ছে সুন্দরবন, জেলেদের মধ্যে এখনো উদ্বেগ

9

ভারতের সঙ্গে কথা হবে চোখে চোখ রেখে

10

রিজার্ভ ফের ৩১ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল

11

ভারতে যাওয়ার সময় গোপালগঞ্জের আ.লীগ নেতা গ্রেপ্তার

12

সুপ্রিম কোর্টের হাতে যাচ্ছে বিচারকদের বদলি–পদোন্নতির ক্ষমতা

13

গোপালগঞ্জে শতাধিক দরিদ্র মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ

14

কোটালীপাড়ায় শ্রেণিকক্ষে দুর্গন্ধে ২০ শিক্ষার্থী অসুস্থ, ৮ জন

15

বিশ্বকাপের ম্যাচে আজ বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড

16

গোপালগঞ্জের ৩ আসনে ৩৯ প্রার্থীর মনোনয়ন জমা, বিএনপির একাধিক ন

17

দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা

18

আসন্ন নির্বাচন শান্তিপূর্ণ করতে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চলছে: প্

19

আজ দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা গোপালগঞ্জে: ৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সে

20